অশোক গাছের উপকারিতা অপকারিতা - অশোক গাছ দেখতে কেমন

প্রিয় পাঠক আপনি যদি অশোক গাছের উপকারিতা অপকারিতা - অশোক গাছ দেখতে কেমন এই সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন এখানে আমরা অশোক গাছের উপকারিতা অপকারিতা - অশোক গাছ দেখতে কেমন এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব যদি আপনারা এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে চান তাহলে সূচিপত্র দেখে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন

সূচিপত্রঃঅশোক গাছের উপকারিতা অপকারিতা - অশোক গাছ দেখতে কেমন 

  • ভূমিকা
  • অশোক প্রচলিত নাম কি
  • বৈজ্ঞানিক নাম কি
  • কোন কোন অংশ ব্যবহার করা যায়
  • এর মধ্যে কি কি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে
  • এর প্রধান কাজ কি
  • কোন কোন রোগে ব্যবহার করা যায়
  • সেবন করার পরিমান
  • সাবধানতা অবলম্বন করা
  • লেখকের শেষ কথা

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আমরা সকলেই জানি গাছ সম্পর্কে গাছ দ্বারা বিভিন্ন ধরনের ঔষধ হয়ে থাকে আমাদের আশেপাশে রয়েছে এমন গাছ যে গাছ দ্বারা আমরা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করতে পারব কিন্তু আমরা এই গাছ সম্পর্কে আমরা অবগত নই যার কারণে আমরা জানি না কোন গাছে কি কাজে আসে আজকে আমি আপনাদেরকে অশোক গাছের পরিচয় দেব এবং এ গাছ দ্বারা কি কি কাজ হয় সে বিষয়ে সম্পর্কে আপনাদেরকে অবহিত করব তো চলুন আমরা সে বিষয়ে জেনে নেই 

আরো পড়ুনঃ ওসিডি রোগের চিরস্থায়ী সমাধান

অশোক প্রচলিত নাম কি

অশোক গাছের নাম অশোক গাছ এনাম সম্পর্কে আমরা সকলেই অবহিত

বৈজ্ঞানিক নাম কি 

অশোক গাছে একটি বৈজ্ঞানিক নাম রয়েছে যে সম্পর্কে আমি আপনাদেরকে বলবো অশোক গাছের বৈজ্ঞানিকরা যে নাম দিয়েছে তা হল: saraca asoca ( rox) de wild

কোন কোন অংশ ব্যবহার করা যায়

প্রিয় পাঠক আমরা অনেকেই এই গাছ সম্পর্কে অবহিত রয়েছে কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা যে এ গাছের কোন অংশটি ব্যবহার করব এবং কোন অংশটি ব্যবহার করা যাবে না তবে আপনাদেরকে সে বিষয়ে এখন বলবো যে অশোক গাছের কোন অংশটি আপনি ব্যবহার করবেন : অশোক গাছের ছাল, বীজ, এবং ফুল আপনি ব্যবহার করতে পারবেন 

এর মধ্যে কি কি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে

প্রিয় পাঠক এই গাছের মধ্যে অনেক প্রকার রসায়ক রয়েছে অর্থাৎ আপনি রসায়নিকের জন্য এ গাছটি ব্যবহার করতে পারেন যেমন ধরুন এ গাছের মধ্যে রয়েছে হেমাটোজাইলিন, টেনিন, ক্যাটে চল, ইপি কেটেচিন, সপনিন এই রাসায়নিক গুলি এই গাছের মধ্যে পাওয়া যায়

এর প্রধান কাজ কি

প্রিয় পাঠক প্রত্যেকটা গাছেরই একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে অর্থাৎ বিশেষভাবে কিছু রোগ রয়েছে যে রোগের জন্য ওই গাছটি ব্যবহার হয় তেমনিভাবে এই অশোক গাছটিও শুধুমাত্র অর্থাৎ এর বৈশিষ্ট্য হলো মাসিক স্রাবের গোলযোগে ব্যবহার করা হয়, এবং শ্বেত রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়, এবং ডায়াবেটিস রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়, এবং রক্ত আমাশা যাদের হয় তাদের রোগের জন্য এই গাছটির ব্যবহার করা হয়

কোন কোন রোগে ব্যবহার করা যায়

মাসিক স্রাবের জন্য কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ ১০-২০ গ্রাম সাল বিচূর্ণ করে দুই কাপ পানিতে জাল করতে হবে যখন জাল করতে করতে এক কাপের পরিমাণে আসবে তখন সেটিকে সুন্দর করে ছেকে দুইবার সেবন করতে হবে আর এটা হল এক অথবা দুই মাস সেবন করতে হয়

শ্বেত রোগের জন্য কিভাবে ব্যবহার করবঃ ২০-২৫ গ্রাম কাঁচা ছাল 2 কাপ পানিতে মিশে জাল করতে হবে এবং একই নিয়মে এক কাপ যখন হয়ে আসবে তখন ভালো করে ছেকে দিনে দুইবার খেতে হবে এবং এটা এক থেকে দুই মাস খেতে হবে

প্রিয় পাঠক এই অশোক ফুল গর্ভ অবস্থায় যদি ব্যথা হয় তাহলে ব্যথার জন্য খুবই কার্যকরী

ডায়াবেটিস রোগীরা কিভাবে খাবেনঃ অশোক গাছের শুষ্ক ফুল ডায়াবেটিস এবং রক্ত আমাশয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় এছাড়াও এটি অশোক গাছের ছাল ত্বকের শুষ্কতা রক্ত পড়া বন্ধ করতে সহযোগী হয় এছাড়া যাদের গলা ক্ষত হয় অশোক ছাল পান করলে অথবা গড়গড়া করলে উহা থেকে নিরাময় হওয়া যায় এছাড়া যাদের হাড় ভেঙে যায় তারা অশোক গাছের বীজ খাবেন এছাড়াও যাদের ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায় তাদের জন্য এই অশোক গাছ খুবই উপকারী এছাড়াও যাদের বাচ্চা হচ্ছে না এমন যারা রয়েছেন তাদের জন্য এই গাছ খুবই উপকারী এছাড়াও এই গাছের ছাল কৃমির জন্য ব্যবহার হয়

সেবন করার পরিমান

প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা অশোক গাছ সম্পর্কে জানলাম তবে এখন আমরা এটিকে সেবন করার বিধি-বিধান জানবো যদি অশোক গাছের ছাল চূর্ণ হয় তাহলে আপনি সেটিকে১০-১২ গ্রাম নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে ছেঁকে নিয়ে অথবা জাল দিয়ে দুই কাপ যদি জাল দেন তাহলে এক কাপ পরিমাণ যখন হবে তখন খেতে পারবেন
বেশ চূর্ণঃ ১-২ গ্রাম কুসুম গরম পানি সহ সেবন করতে হবে
হোমিওপ্যাথিঃ ৪-৫ ফোটা সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে চারবার সেবন করতে হবে

সাবধানতা অবলম্বন করা

প্রিয় পাঠক একটি জিনিসের যেমন উপকারী দিক রয়েছে তেমন তার অপকারী দিক রয়েছে এজন্য আমি এখন আপনাদেরকে সাবধানতা অবলম্বন করাবো সেটি হল নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবনে কোনরকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে না তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটিকে ব্যবহার করবেন এবং বেশি পরিমাণে কখনোই খাওয়ার চেষ্টা করবেন না

আরো পড়ুনঃ হাতিশুর গাছের উপকারিতা

লেখকের শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আপনারা অশোক গাছের উপকারিতা অপকারিতা - অশোক গাছ দেখতে কেমন এ সম্পর্কে জানতে পারলেন যদি আপনার এখান থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করে দেন যাতে করে পরবর্তী নোটিফিকেশন আপনি পেতে পারেন এবং আপনার বন্ধু বান্ধবের মাঝে কপি লিংক এর মাধ্যমে শেয়ার করুন ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url