তারাবির নামাজ কত রাকাত সহীহ হাদিস - তারাবির নামাজ ৮ রাকাতের দলিল

প্রিয় পাঠক আমরা সকলেই এখন রমজান মাসে বসবাস করছি আজকে সকলেই আমরা রোজাদার তো রোজার মাস আসলে ইবাদত বন্দি করার একটি ঝুঁকি আমাদের মধ্যে বেড়ে যায় তারই মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো রমজান মাসে তারাবির নামাজ আদায় করা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই দলাদলি রয়েছে
তারাবির নামাজ কত রাকাত সহীহ হাদিস - তারাবির নামাজ ৮ রাকাতের দলিল
আজকে আমি আপনাদেরকে তারাবির নামাজ ৮ রাকাত না ২০ রাকাত সে বিষয়ে মূল্যবান তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব যদি আপনারা সে বিষয়ে মূল্যবান তথ্য পেতে চান তাহলে আমাদের সাথেই থাকুন

সূচিপত্রঃতারাবির নামাজ কত রাকাত সহীহ হাদিস - তারাবির নামাজ ৮ রাকাতের দলিল

  • রমজানের শুরুতে নবীজির ভাষণ
  • রমজানের ছয়টি বৈশিষ্ট্য
  • তারাবির নামাজ নবীর সুন্নত
  • তারাবির হুকুম ও নামাজের রাকাত সংখ্যা
  • ইফতার করানোর ফজিলত
  • লেখকের শেষ কথা

রমজানের শুরুতে নবীজির ভাষণ

প্রিয় পাঠক আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি অত্যন্ত মহান নবী ছিলেন তিনি রমজানের শুরুতে কি ভাষণ দিতেন সেটা এখন আমরা জানবো এবং আপনাদেরকে পরিপূর্ণ জানানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ

হযরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবান মাসের শেষ তারিখে আমাদেরকে সম্বোধন করে একটি ভাষণ দেন তাতে তিনি বলেছিলেনঃ লোক সকল একটি মহান মাস তোমাদের ওপর ছায়াপাত করেছে কি রকম মহান মাসের বিবরণ অন্য হাদিসে আছে এটা এমন মাস যার জন্য বেহেশতাকে সারা বছর ধরে সুসজ্জিত করা হয় এ মাসের প্রথম রাত যখন আগমন করে তখন জান্নাতের তলদেশ থেকে একটি সুমধুর বাতাস প্রবাহিত

 হতে থাকে যার প্রবাহে বেহেশতের পাতা পল্লব ডালপালা ও দরজার কড়া সমূহ হেলতে থাকে এতে এমন এক মনোমুগ্ধকর ও হৃদয় স্পর্শেই সুর উথিত হয় শ্রোতারা ইতিপূর্বে কখনো এরূপ আর শুনতে পায়নি তখন অনিন্দ্য সুন্দর চক্ষু বিশিষ্ট হুরবান আত্মপ্রকাশ করে বেহেশতের বালাখানা সমূহের মধ্যে দন্ডায়মান হয়ে ঘোষণা করতে থাকে আল্লাহর কোন প্রিয় বান্দা আছে কি যারা আমাদেরকে বিয়ে করার জন্য আল্লাহর দরবারে দরখাস্ত করবে এরপর তারা বেহেশতের দরবারে জিজ্ঞেস করে এটা কোন রাত্রি উত্তরে তিনি বলেন এটা রমজানের প্রথম রাত্রি

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন লোক সকল এক মহান মাস তোমাদের ওপর এসেছে এটা এমন মহান মাস যার সম্মানে জান্নাতের সমস্ত দরজা খুলে দেওয়া হয় একটি দরজাও বন্ধ থাকে না জাহান্নামের সমস্ত দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় একটি দরজায় খোলা থাকে না সুতরাং কেউ যদি মাহে রমজানে মারা যায় তাহলে কেয়ামত পর্যন্ত তার কবরে কোন আজাব হবে না যেহেতু সে এমন

 সময় মারা গেছে যখন জাহান্নামের সমস্ত দরজা বন্ধ তাই প্রথমেই তিনি ঘোষণা দিলেন লোক সকল এক মহান মাস তোমাদের সম্মুখে উপস্থিত এই মহান মাসের যাতে বান্দা এসে বাধাবিহীনভাবে দ্বিধাহীন চিত্তে প্রশান্ত হৃদয় আল্লাহর ইবাদত করতে পারে তার নেক ইচ্ছার মাঝে শয়তান যেন কোনোরকম ভাবে বাধা দিতে না পারে সেজন্য এ মাসের শুরুতেই আল্লাহ তা'আলা জিব্রাইল আমিনকে হুকুম দেন জমিনে

 অবতরণ করে অহংকারে শয়তানকে বেঁধে ফেলো তার গলায় বেড়ি পরিয়ে সমুদ্রে নিক্ষেপ কর যাতে আমার বান্দা ইবাদতে মশগুল হতে পারে এটা এমন এক মহান মাস যদি কেউ ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে এ মাসে রোজা রাখে তাহলে তার জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে রাতের বেলায় জাগ্রত থেকে তারাবির নামাজ পড়বে তারও জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে

এ মাসে একটি নফল একটি ফরজের সমান একটি ফরজ ৭০ টি ফরজের সমান তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন বারকতওয়ালা মাস এ মাসে আমলে বরকত রুজিতে বরকত সময়ে বরকত হায়াতে বরকত শুধু বরকত আর বরকত

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন মানুষের প্রত্যেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করা হয় একটি নেকীর সব ১০ গুন থেকে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয় আল্লাহতালা বলেন কিন্তু রমজানের বিষয়টি আলাদা একমাত্র আমার জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে দমন করে এবং পানাহার ত্যাগ করে

রমজানের ছয়টি বৈশিষ্ট্য

প্রিয় পাঠক রমজানে ছয়টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে অর্থাৎ রমজানের রোজা হলে ছয়টা এমন গুণ রয়েছে যা অত্যন্ত প্রিয় আল্লাহ তায়ালার কাছে সে গুণ সম্পর্কে এখন আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করবঃ

প্রিয় পাঠক এই বরকত ওয়ালা মাসে আল্লাহ তাআলা রোজাদারকে ছয়টি বস্তু উপহার দেন

  • রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগ নাভির সুগন্ধির চাইতে অধিকতর প্রিয়
  • সমুদ্রের মাছও রোজাদারের জন্য ইফতার পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে অপর এক বর্ণনায় এসেছে ফেরেশতারা রোজাদারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে যতক্ষণ না তারা ইফতার করে
  • রোজাদারের সম্মানে প্রতিদিন জান্নাতকে সুসজ্জিত করা হয়
  • রমজানের শেষ রাতে রোজাদারদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়
  • রমজানে দুর্বৃত্ত শয়তানকে বন্দী করে রাখা হয়

এ মোবারক মাসে প্রতিদিন একজন ঘোষণা করতে থাকে হে পণ্যকামী তুমি এগিয়ে চলো এবং হে পাপ কাঙ্খী তুমি নিবৃত্ত হও

এটা এমন বরকতের মাস যাতে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাসের চাইতে উত্তম অর্থাৎ হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব এক রাত ইবাদত করলে তার চেয়ে বেশি সওয়াব হয়

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহ তাআলা এর দিবা ভাগে রোজা ফরজ করে দিয়েছেন এবং রাতে ইবাদতকে সওয়াবের কাজ করেছেন

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহ তা'আলা তোমাদের উপর রমজান শরীফের রোজা ফরজ করেছেন আর রাতের নামাজ অর্থাৎ তারাবিকে আমি তোমাদের জন্য সুন্নত করেছি সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানী প্রেরণা ও সওয়াবের উদ্দেশ্যে এ মাসে রোজা রাখবে এবং তারাবির নামাজ পড়বে সে ব্যক্তি গুনাহ থেকে এরূপ মুক্ত হয়ে যাবে যেন আজই তার মা তাকে প্রসব করেছেন

এর প্রমাণ হলো যে আল্লাহতালা পবিত্র কুরআনুল কারীমের মধ্যে বলেন তিনি মনগড়া কথা বলেন না তার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়েছে সুতরাং এখান থেকে আমরা বুঝতে পারি যে তারাবির নামাজ রাসুল যেহেতু পড়তে বলেছেন আর রাসূল কখনোই মনগড়া কথা বলেন না আল্লাহ তাআলা তার সাথেই থাকেন এজন্য এখান থেকে আমরা বুঝতে পারি যে তারাবির নামাজ অবশ্যই ২০ রাকাত পড়তে হবে

তারাবির নামাজ নবীর সুন্নত

প্রিয় পাঠক এখন আমি আপনাদেরকে তারাবির নামাজ সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব তো চলুন জানা যাক

তারাবিকে রাসুলের সুন্নত ঘোষণা করার অর্থ হচ্ছে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত আমল ওহীর মাধ্যমে এই এর প্রবর্তন করা হয়েছে তারাবি শব্দটির মূল হচ্ছে তারা বিহা বা স্বাচ্ছন্দ উপভোগ করা তারাবির নামাজের প্রতি চার রাকাত অন্তর যেহেতু বসে বসে একটু বিশ্রাম নেওয়া হয় এজন্য নামাজকে তারাবি নামাজ বলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারাবির নামাজ সাহাবায়ে কেরামকে সঙ্গে

 নিয়ে জামাতের সাথে আদায় করেছেন তবে তিনি মাঝে মাঝে এ থেকে বিরত রয়েছেন এ বিরত থাকার কারণ তিনি বর্ণনা করেছেন আমার ভয় হয় আমার উম্মতের ওপর এ নামাজ ওয়াজিব হয়ে যায় কিনা কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কাজ নিয়মিত করতেন তা উম্মতের ওপর ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হতো

হাদিস শরীফে আছে যেদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বপ্রথম তারাবির নামাজ পড়লেন সেদিন কিছু সংখ্যক সাহাবায়ে কেরাম তার সাথে অংশগ্রহণ করলেন পরের দিন আরও বেশি লোক হুজুর সাল্লাল্লাহু সালামের সাথে তারাবির নামাজে শরিক হন তৃতীয় দিনও প্রচুর লোক সমাগম হয় আর চতুর্থ দিন মসজিদ ভরে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় সকলে বসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

 এর সাথে জামাতে তারাবির পড়ার অপেক্ষা করতে থাকেন কিন্তু রাসুল সেদিন আর মসজিদে হাজির হলেন না ঘরেই নামাজ পড়ে নিলেন পরদিন ফজরের নামাজ শেষে উপস্থিত লোকদের উদ্দেশ্যে বললেন গত রাতে আপনারা আমার জন্য দীর্ঘক্ষন অপেক্ষায় বসে ছিলেন আমি আপনাদের উপস্থিতি বসে থাকা সবই জানতাম তবুও আসেনি কেননা মসজিদে আসলে আমাকে অবশ্যই তারাবির নামাজ

 পড়তে হতো এবার আমি নিয়মিতভাবে করলে আমার উম্মতের উপর তা ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাই আমি এর থেকে নামাজ নিয়মিত পড়তেন অবশেষে খোলাফায়ে রাশেদার যুগে দ্বিতীয় খলিফা আমিনুল মুমিনিন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার খেলাফতকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে তারাবির নামাজ জামাতের সাথে পড়ার ইন্তেজাম করেন সে থেকে এখন পর্যন্ত তা চলে

 আসছে এটা হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর চালু করা আমল মনে করে মোর ছোট মনে করা যাবে না কেননা হাদিস শরীফের মধ্যে রয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমরা আমার ও খোলাফায়ে রাশেদার সুন্নতকে আঁকড়ে ধরবে

তারাবির হুকুম ও নামাজের রাকাত সংখ্যা

তারাবির নামাজ কয় রাকাত এ সম্পর্কে আমাদের মধ্যে অনেকে দ্বিধা দ্বন্দ্ব রয়েছে আমি আপনাদেরকে এ সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব

তারাবির নামাজ কয় রাকাত তা নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ আছে ইমাম শাফি রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও বর্তমান আহলে হাদিসসহ অনেকের মতে তারাবির নামাজ ৮ রাকাত অবশ্য হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত আছে তারাবি ২০ রাকাত হানাফী মাযহাব মতে ও তারাবি ২০ রাকাত সৌদি আরবের শফি হাম্বলী ও মালেকি মাযহাবের লোক বেশি তা সত্ত্বেও হারামাইন শরীফ

 আইনে বাইতুল্লাহ ও মসজিদে নববীতে ২০ রাকাত তারাবির নামাজ আদায় করা হয় তাই আমরা একথা বুঝে নিতে পারি যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর নিকট এটাই পছন্দনীয় আমল বাকি আল্লাহই ভালো জানেন তারাবির সুন্নতে মুয়াক্কাদা এটা সূরা তারাবি পড়লেও আদায় হয়ে যাবে কিন্তু মাহে রমজানের তারাবির নামাজে ৩০ পারা কোরআন খতম করা একটা ভিন্ন সুন্নত সুতরাং সূরা তারাবি

 পড়লে একটা সুন্নত আদায় হলেও অপর সুন্নাত খতমে কুরআন থেকে মাহরুম থাকতে হয় এটা বড়ই আফসোস ও মাহরুমের কথা আজকে আমরা দুনিয়ার ধান্দায় ও নেশায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে খেলার নেশায় সারারাত জেগে বসে থাকি অথচ নেক আমলের এই মৌসুমে এক খতম কোরআন তারাবির নামাজের শুনতে আমাদের কষ্ট হয়ে যায় আসলে আমাদের অন্তরে সে জালানি অন্তরে জ্বালা থাকলে সারারাত দাঁড়িয়ে থেকে নামাজ পড়তে আমাদের কষ্ট লাগত না

ইফতার করানোর ফজিলত

প্রিয় পাঠক আমাদের মনে অনেক সময় এটা প্রশ্নবিদ্ধ হয় যে ইফতার করালে কি সওয়াব হয় ইফতার করালে কি আসলে কোন সওয়াব হয় সে বিষয়ে আমি আপনাদের সামনে এখন কিছু কথা বলব আশা করছি আপনারা বুঝতে পারবেনঃ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি এ মাসে রোজাদারকে ইফতার করাবে তা তার পাপ মোচন ও দোযখ থেকে মুক্তির কারণ হবে এবং এতে সে ওই রোজাদারের সমান পূর্ণের অধিকারী হবে অথচ রোজাদারের পণ্য তাতে একটুও কমবে না তখন সাহাবীগণ আরজ করলেন ইয়া রাসুলআল্লাহ আমাদের সকলের তো রোজাদারকে তৃপ্তি সরকার ইফতার করার সামর্থ্য নেই তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু

 আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে এক ঢোক দুধ দ্বারা বা একটি খেজুর দ্বারা বা একটু পানি দ্বারা ইফতার করাবে তাকেও আল্লাহ তা'আলা রোজাদারের সমান সওয়াব দেবেন আর যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে তৃপ্তি সহকারে উদার পূর্ণ করে খাওয়াবে আল্লাহ তাআলা তাকে আমার হাউস থেকে এমন পানি পান করাবেন যে সে জান্নাতে যাওয়া পর্যন্ত আর কখনো পিপাসার্ত হবে না

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি এ মাসে তার ক্রীতদাসের বা অধীনস্থ কর্মচারী চাকর বাকরকে কাজের বোঝা হালকা করে দিবে আল্লাহ তারা তাকে ক্ষমা করবেন এবং দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমরা এ মাসে চারটি কাজ বেশি বেশি করে করবে দুটি এমন যা দ্বারা তোমরা তোমাদের প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জন করবে এবং দুটি কাজ এমন যা ছাড়া তোমাদের কোন উপায় নেই প্রহর সন্তুষ্টির অর্জনের কাজ দুটি হল কালিমা পাঠ ও বেশি বেশি ইস্তেগফার করা আর যে দুটি ব্যতীত তোমাদের কোন উপায় নেই তা হলো আল্লাহর কাছে জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া

লেখকের শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আপনারা তারাবির নামাজ কত রাকাত সহি হাদিস এবং তারাবির নামাজ ৮ রাকাত কিনা এ বিষয়ে জানতে পারলেন যদি আপনার এখান থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনাদের বন্ধু বান্ধবের মাঝে কফিলিং এর মাধ্যমে শেয়ার করুন এবং আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট সেকশনে জানিয়ে দিন এবং দয়া করে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করে দিবেন

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url